নিজস্ব প্রতিবেদক।। শিল্প নগরী গাজীপুর টঙ্গীর ৫৭নং ওয়ার্ডে গণস্বাস্থ্য বেসিক কেমিক্যালস লি: নামের প্রতিষ্ঠানে গত ২৫ আগষ্ট, ২৫ইং তারিখ সকাল ১১ টার দিকে দশ হোন্ডা রোড নামক স্থানে কোম্পানিটির স্থায়ী সম্পত্তি ইটের দেয়ালে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। জানা গেছে উক্ত ঘটনার সাথে জড়ির গাজীপুর-৬ আসনের বিএনপির মনোনয়ন পদপ্রার্থী ও টঙ্গী পূর্ব থানার বিএনপির সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন সরকারের বিতর্কিত বাবা ডাঃ নাজিমউদ্দীন আহমেদ।
হামলার ঘটনার পরেই টঙ্গী পশ্চিম থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন উক্ত প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবিএম জামাল উদ্দীন।
সাধারণ ডায়েরী তিনি উল্লেখ করেন, গণস্বাস্থ্য বেসিক কেমিক্যালস লি: ইং: ২৫/০৮/২৫ তারিখ সময় অনুমান সকাল ১১ ঘটিকায় দশ হোন্ডা রোড নামক স্থানে বিবাদী ১। ডা: নাজিমউদ্দীন আহম্মেদ, পিতা : আলহাজ্ব আমজাদ আলী সরকার, সাং- ১২৬ আনারকলি রোড, পোষ্ট: মুন্নুনগর, টঙ্গীবাজার, টঙ্গীপূর্ব, গাজীপুর মহানগর, গাজীপুর। উক্ত বিবাদী গণস্বাস্থ্য বেসিক কেমিক্যালস লি: এর জমি ফ্যাক্টরি দখল করার পায়তারাসহ আমাদের উক্ত কেমিক্যালস এর কর্মকর্তাদের সহিত কারাপ আচরণসহ কথা কাটা-কাটি হয়। এক পর্যায়ে উক্ত বিবাদী আমাকেসহ ও আমাদের কোম্পানীর কর্মকর্তাদের জানে মেরে ফেলবে মর্মে প্রর্কাশ্যে হুমকী দেয়। বিধায় উক্ত বিবাদীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাসহ ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য সাধারণ ডাইরী করা একান্ত প্রয়োজন। এমতবস্থায় উপরোক্ত বিষয়টি ভবিষ্যতের জন্য সাধারণ ডাইরীভূক্ত করিয়া রাখা একান্ত প্রয়োজন বলে আবেদন করার পরেও এখনো প্রশাসন থেকে কোন ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন ঐ ভূক্তভোগী।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ব্যবস্থাপনা পরিচালক জামাল উদ্দীন জানান, ডাঃ জাফরুল্লাহর তিলে তিলে গড়া প্রতিষ্ঠানগুলোতে তার মৃত্যুর পর এই ডাক্তার নাজিম উদ্দীন আহম্মেদ দখলের পায়তারা করেন। এছাড়াও তিনি গত ২৪ইং সালে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগসহ স্থানীয় এমপি, ঢাকা-১৯ এর সাইফুল সাহেবকে দিয়ে দখলে নিয়ে ব্যবপক লুটপাট করেন। পরবর্তীতে নগর হাসপাতাল টঙ্গী গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এখনো তার দখলে। তার মেয়েকে পরিচালক বানিয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি দখলে নেন। এখন বিভিন্ন সময়ে তিনি বেসিক কেমিক্যালস দখলের পায়তারা করে আসছেন।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার পরেই টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসির সাথে দেখা করি এবং ওসি মহোদয় জানান একটি সাধারণ ডায়েরী করুণ বিষয়টি অবশ্যই অন্যায় হয়েছে। আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করিব।
বিষয়টি নিয়ে তদন্তকারী এসআই (নিরস্ত্র) ফরিদুল ইসলাম টঙ্গী পূর্ব থানা সাংবাদিকদের ঘটনাটি সত্যি ঘটেছে বলে শিকার করেন এবং বলেন আমরা অভিযোগের সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। এবং পরবর্তীতে উভয় পক্ষকে ওসি স্যারের মাধ্যমে সমাধান করে দেয়াল পুনঃরায় উঠিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করে সমাধান করেছি।















