, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাতের অন্ধকারে দখলচক্রের থাবা! বায়না করা জমিতে হানা দিয়ে বালু ভরাট-থানায় তীব্র অভিযোগ! স্বাধীনতার চেতনায় বদলে যেতে প্রস্তুত ঢাকা-৭-নেতৃত্বে শাহানা সুলতানা! চাঁদাবাজ-মাদক সিন্ডিকেট ভাঙার ঘোষণা, শফিকের আগমনেই অস্থির প্রতিদ্বন্দ্বীরা! বিনা অপরাধে ডিবি হেফাজতে ১০ ঘণ্টা-প্রেস কনফারেন্স ঠেকাতেই আটক-অভিযোগ সাংবাদিকের। ডাঃ জাফরুল্লাহর গণস্বাস্থ্য বেসিক কেমিক্যালসে গাজীপুর ৬ আসনের বিএনপির এমপি পদপ্রার্থীর বাবার হামলা ভাঙচুর – থানায় অভিযোগ সাংবাদিক-পেটানো মামলার আসামি মাসুম পুলিশের হাতেই ‘কামড় দিয়ে’ রাতের আঁধারে গায়েব! বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ১০ম জাতীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা বাংলাদেশ খ্রিষ্টান ফোরামের যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত এলবার্ট রিপন বল্লভ মুখ খোলার ‘দাম’ এতটাই? রিপোর্টার্স ইউনিটি থেকে সাইফুলের পদত্যাগে ক্ষোভ, প্রশ্নের ঝড় সাংবাদিক সমাজে বরিশালে সাংবাদিকতার নামে চাঁদাবাজি ও অপসাংবাদিকতা বন্ধে ঐক্যবদ্ধ ৩৫ সংগঠন
বিজ্ঞাপন :
সকল জেলায় সাংবাদিক নিয়োগ চলছে

মুখ খোলার ‘দাম’ এতটাই? রিপোর্টার্স ইউনিটি থেকে সাইফুলের পদত্যাগে ক্ষোভ, প্রশ্নের ঝড় সাংবাদিক সমাজে

  • প্রকাশের সময় : ০৬:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬৭ পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার।। বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির (বিআরইউ) ভেতরের ‘অদৃশ্য শক্তি’ ও কথিত কর্তৃত্ববাদী আচরণের অভিযোগে পদত্যাগ করেছেন সংগঠনের সহযোগী সদস্য এম সাইফুল ইসলাম। রবিবার (৯ নভেম্বর) তিনি সরকারী ডাকযোগে নিজের পদত্যাগপত্র পাঠান। একসময় যে সংগঠনের সদস্য পরিচয় গর্বের, আজ তা রীতিমতো বুকে কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে দাবি তার।

 

এম সাইফুল ইসলাম বর্তমানে দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ও বরিশালবাণী ডটকমের বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

পদত্যাগপত্রে সাইফুল অভিযোগ করেন, গত ১ নভেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কোনরকম প্রেক্ষাপট ছাড়াই বিআরইউ’র সাধারণ সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ তাকে ফোনে ‘অপ্রত্যাশিত ও রূঢ় ভাষায়’ কথা বলেন। এমনকি ‘কথা না শুনলে সদস্য পদ বক কেটে ফেলার’ হুমকিও দেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 

পরদিন সাইফুল সহযোগী সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইউনিয়ন অফিসে আবেদন নিয়ে গেলে পরিস্থিতি আরও বিব্রতকর হয়। তার ভাষ্য, সাধারণ সম্পাদক আবেদনপত্র গ্রহণ করেননি, উল্টো উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে তাকে ‘অপমানজনক আচরণের’ মুখোমুখি হতে হয়। “বের হয়ে যান,এই নির্দেশ তাকে মানসিকভাবে আঘাত করে, যা তার পদত্যাগের সিদ্ধান্তকে আরও দৃঢ় করে।

 

শুধু একক ঘটনা নয়। সংগঠনটি সম্প্রতি দেশের একটি জাতীয় দৈনিকের এক ব্যুরো প্রধানকেও কোন নোটিশ, কারণ দর্শানো বা তদন্ত ছাড়া সহযোগী সদস্য পদ থেকে এক চিঠির মাধ্যমে অব্যাহতি দেয়। যা নিয়ে ইতিমধ্যে ক্ষোভে ফুঁসছে সাংবাদিক মহল।

 

বিষয়টি ‘গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ ব্যত্যয়’ বলে মনে করছে অনেকেই।বরিশাল জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন ইতোমধ্যেই লিখিত ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিআরইউর একজন সিনিয়র সদস্য।

 

সাংবাদিকরা মনে করছেন, সংগঠন নয়, ব্যক্তির ইগো ও ক্ষমতার প্রদর্শনী যেন প্রধান হয়ে উঠছে।প্রশ্ন উঠছে,বিআরইউ কি সাংবাদিকদের স্বার্থের সংগঠন, নাকি কিছু লোকের নিজস্ব রাজ্য?

 

পরবর্তী মিটিংয়ে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজবে সাংবাদিক সমাজ,এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল।

জনপ্রিয়

রাতের অন্ধকারে দখলচক্রের থাবা! বায়না করা জমিতে হানা দিয়ে বালু ভরাট-থানায় তীব্র অভিযোগ!

মুখ খোলার ‘দাম’ এতটাই? রিপোর্টার্স ইউনিটি থেকে সাইফুলের পদত্যাগে ক্ষোভ, প্রশ্নের ঝড় সাংবাদিক সমাজে

প্রকাশের সময় : ০৬:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার।। বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির (বিআরইউ) ভেতরের ‘অদৃশ্য শক্তি’ ও কথিত কর্তৃত্ববাদী আচরণের অভিযোগে পদত্যাগ করেছেন সংগঠনের সহযোগী সদস্য এম সাইফুল ইসলাম। রবিবার (৯ নভেম্বর) তিনি সরকারী ডাকযোগে নিজের পদত্যাগপত্র পাঠান। একসময় যে সংগঠনের সদস্য পরিচয় গর্বের, আজ তা রীতিমতো বুকে কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে দাবি তার।

 

এম সাইফুল ইসলাম বর্তমানে দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ও বরিশালবাণী ডটকমের বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

পদত্যাগপত্রে সাইফুল অভিযোগ করেন, গত ১ নভেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কোনরকম প্রেক্ষাপট ছাড়াই বিআরইউ’র সাধারণ সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ তাকে ফোনে ‘অপ্রত্যাশিত ও রূঢ় ভাষায়’ কথা বলেন। এমনকি ‘কথা না শুনলে সদস্য পদ বক কেটে ফেলার’ হুমকিও দেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 

পরদিন সাইফুল সহযোগী সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইউনিয়ন অফিসে আবেদন নিয়ে গেলে পরিস্থিতি আরও বিব্রতকর হয়। তার ভাষ্য, সাধারণ সম্পাদক আবেদনপত্র গ্রহণ করেননি, উল্টো উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে তাকে ‘অপমানজনক আচরণের’ মুখোমুখি হতে হয়। “বের হয়ে যান,এই নির্দেশ তাকে মানসিকভাবে আঘাত করে, যা তার পদত্যাগের সিদ্ধান্তকে আরও দৃঢ় করে।

 

শুধু একক ঘটনা নয়। সংগঠনটি সম্প্রতি দেশের একটি জাতীয় দৈনিকের এক ব্যুরো প্রধানকেও কোন নোটিশ, কারণ দর্শানো বা তদন্ত ছাড়া সহযোগী সদস্য পদ থেকে এক চিঠির মাধ্যমে অব্যাহতি দেয়। যা নিয়ে ইতিমধ্যে ক্ষোভে ফুঁসছে সাংবাদিক মহল।

 

বিষয়টি ‘গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ ব্যত্যয়’ বলে মনে করছে অনেকেই।বরিশাল জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন ইতোমধ্যেই লিখিত ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিআরইউর একজন সিনিয়র সদস্য।

 

সাংবাদিকরা মনে করছেন, সংগঠন নয়, ব্যক্তির ইগো ও ক্ষমতার প্রদর্শনী যেন প্রধান হয়ে উঠছে।প্রশ্ন উঠছে,বিআরইউ কি সাংবাদিকদের স্বার্থের সংগঠন, নাকি কিছু লোকের নিজস্ব রাজ্য?

 

পরবর্তী মিটিংয়ে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজবে সাংবাদিক সমাজ,এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল।