, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাতের অন্ধকারে দখলচক্রের থাবা! বায়না করা জমিতে হানা দিয়ে বালু ভরাট-থানায় তীব্র অভিযোগ! স্বাধীনতার চেতনায় বদলে যেতে প্রস্তুত ঢাকা-৭-নেতৃত্বে শাহানা সুলতানা! চাঁদাবাজ-মাদক সিন্ডিকেট ভাঙার ঘোষণা, শফিকের আগমনেই অস্থির প্রতিদ্বন্দ্বীরা! বিনা অপরাধে ডিবি হেফাজতে ১০ ঘণ্টা-প্রেস কনফারেন্স ঠেকাতেই আটক-অভিযোগ সাংবাদিকের। ডাঃ জাফরুল্লাহর গণস্বাস্থ্য বেসিক কেমিক্যালসে গাজীপুর ৬ আসনের বিএনপির এমপি পদপ্রার্থীর বাবার হামলা ভাঙচুর – থানায় অভিযোগ সাংবাদিক-পেটানো মামলার আসামি মাসুম পুলিশের হাতেই ‘কামড় দিয়ে’ রাতের আঁধারে গায়েব! বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ১০ম জাতীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা বাংলাদেশ খ্রিষ্টান ফোরামের যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত এলবার্ট রিপন বল্লভ মুখ খোলার ‘দাম’ এতটাই? রিপোর্টার্স ইউনিটি থেকে সাইফুলের পদত্যাগে ক্ষোভ, প্রশ্নের ঝড় সাংবাদিক সমাজে বরিশালে সাংবাদিকতার নামে চাঁদাবাজি ও অপসাংবাদিকতা বন্ধে ঐক্যবদ্ধ ৩৫ সংগঠন
বিজ্ঞাপন :
সকল জেলায় সাংবাদিক নিয়োগ চলছে

রাতের অন্ধকারে দখলচক্রের থাবা! বায়না করা জমিতে হানা দিয়ে বালু ভরাট-থানায় তীব্র অভিযোগ!

  • প্রকাশের সময় : ২১ ঘন্টা আগে
  • ৩১ পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।। কাশিপুর-বরিশাল নগরের কাশিপুর ইছাকাঠি এলাকায় দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে ঝুলে থাকা বায়না–দলিল বিরোধ এবার রঙ লেগে উত্তেজনায় রূপ নিল। যুবক হাউজিং অ্যান্ড রিয়েল এস্টেটের বায়না করা জমিগুলোতে দলিল না পাওয়ার সুযোগ নিয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তি রাতের অন্ধকারে ভেতরে ঢুকছে, বালু ভরাট করছে এবং নিজস্ব সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দখলের চেষ্টা করছে,এমন অভিযোগ নিয়ে এয়ারপোর্ট থানায় গর্জনের মতো লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন একাধিক ক্রেতা।

 

ঘটনাচক্র ও টানাপোড়েন!সময়রেখা

 

২০০৬ -আগৈলঝাড়া উপজেলার এসএম ফারুক যুবক হাউজিং থেকে ৫ শতাংশ জমির বায়না করেন; চুক্তি অনুযায়ী মোট ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন, বকেয়া মাত্র ২০ হাজার টাকা ছিল। প্রকল্পে সমস্যা হলে দলিল প্রদান বন্ধ হয়ে যায়-তখন থেকেই জমি ফারুকের দখলে ছিল।

 

২৭ নভেম্বর, রাত ১১:৩০ – অভিযোগ: ওই রাতের অন্ধকারে অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন নামের এক ব্যক্তি অপ্রত্যাশিতভাবে ফারুকের জমিতে এসে যন্ত্রসামগ্রী দিয়ে বালু ভরাট শুরু করেন এবং জমিতে নিজস্ব সাইনবোর্ড টাঙান।

ঘটনার পরপরই এসএম ফারুক এয়ারপোর্ট থানায় লিখিত অভিযোগ জানান-তিনি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা চান।

 

অভিযোগের কড়া ভাষ্য

 

এসএম ফারুক বলেন, “আমরা বায়না করে প্রায় সম্পূর্ণ টাকা দিয়েছি। দলিল না মেলায় জমিটা দখলে রেখেছি – রাতের বেলা আমাদের জমিতে এসে তারা বালু ভরাট করছে, সাইনবোর্ড টাঙাচ্ছে। এটা প্রকাশ্য দখলের চেষ্টা।”তার স্ত্রী রেহেনা খানম আরও বলেন, “জামায়াত নেতা পরিচয় দিয়ে ওই ব্যক্তি দাবি করছেন যুবক হাউজিংয়ের কাছে তারও টাকা আছে,তাই তিনি জমি দখল করবেন। এটা রীতিমতো চাপ,আমরা জমি ফিরে পেতে চাই।

 

পাশের প্লটের মালিক মজিবুর রহমান অভিযোগ করেন,“আমার নামে দলিল থাকলেও সিদ্দিকুর ও তার স্ত্রী নিজেদের নামে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে রেখেছে,কানো যুক্তিসঙ্গত সদুত্তর দেয়নি তারা। আমি আদালতি অধিকার প্রয়োগ করে আমার জমিতে নিজের সাইনবোর্ড টাঙাব।

 

তৃতীয় ক্রেতা হাসান বলছেন, “অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন নিজেকে জামায়াত নেতা বলে দাবি করে তিনি জমি তারকেই দেওয়ার অভিযোগ করছেন,কিন্তু তারা রাত্রে এসে অনৈতিকভাবে কাজ করছে।

 

অভিযুক্তের প্রতিক্রিয়া

 

অভিযুক্ত অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন দাবি করেছেন, অভিযোগ ভুল এবং বিভ্রান্তিকর। তিনি বলেন, “আমি যুবক হাউজিংয়ের একজন সদস্য; আমি নিজামতে বায়না করেছিলাম। আমি আমার জমিতেই বালু ভরাট করেছি,কেউকে আমি দখল করে দেইনি।” তাঁর বক্তব্য প্রকাশ্যে হলেও ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত জরুরি বলে মনে করছেন অনেকে।

 

আইনগত ও সামাজিক প্রেক্ষাপট

 

 

বিরোধপূর্ণ সম্পত্তির বর্ণনা: মৌজা,ইছাকাঠী, জেএল নং: ১৩, এসএ দাগ নং: ১০১৪, বিএস দাগ নং: ৩০৩৯, জমির পরিমাণ: ৫ শতাংশ। স্থানীয়দের উদ্বেগ-দলিল দেওয়ার দীর্ঘ বিলম্ব ও আধা-উন্মুক্ত অবস্থার সুযোগ নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে দখলের চক্রান্ত হতে পারে। স্থানীয়দের ভাষায়, “দলিল না থাকলে জায়গার উপর আরামে কাকুতি ওঠে,ব্যক্তিগত দাবিতে নয়, বড় চক্রই এখানে সক্রিয় হতে পারে।

 

 

আইনগত দিক থেকে,যে কোনও জমি দখলে রাখার ক্ষেত্রে দলিলই প্রধান প্রমাণ। বায়না চুক্তি থাকলেই সম্পত্তি নিশ্চিত নয়; চূড়ান্ত দলিল (পাট্টা/নামান্তর) না হলে উভয়পক্ষের বিবাদ আদালত–পুলিশ-নোটিশ পদ্ধতিতে সমাধান পায়। রাতের বেলা বালু ভরাট ও সাইনবোর্ড টাঙানো,এসব কার্যকলাপ সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে বাধা সৃষ্টি বা জবরদখলের লক্ষণ হতে পারে এবং সেজন্য তদন্ত দরকার।

 

পুলিশের বক্তব্য

 

 

 

এয়ারপোর্ট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজিত চন্দ্র নাথ বলেছেন,অভিযোগ পেলে সুষ্ঠু অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, তারা বর্তমান অবস্থায় স্থানীয় চিত্রের ছক কষছেন ও সংশ্লিষ্ট দলগুলোর পয়সার লেনদেন, দলিলপত্র এবং জমির প্রকৃত দখলার ভিত্তি যাচাই করবেন।

 

 

আশঙ্কা ও দাবি

 

 

স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন,দলিল না থাকায় জমিগুলো “অদৃষ্টে” পড়ে আছে; এমন জমিগুলোকে কেন্দ্র করে কিছু ব্যক্তি বা চক্র রাতের আঁধারে সহিংসতার মাধ্যমেও দখল নিয়ে যেতে পারে। অভিযোগকারীরা বলেন,সত্বর মাঠ পর্যায়ের ভলান্টিয়ার উপস্থিতি ও সরকারি হস্তক্ষেপ দরকার, নাহলে ছোট সংঘাত বড় ঘটনায় রূপ নিতে পারে।

 

এখন করণীয়

পুলিকেকে দ্রুত মাঠ তদন্ত, নথিপত্র যাচাই ও বাধা প্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।জেলা প্রশাসন ও ভূমি দফতরকে এই জমির মিটিং আয়োজন করে দলিল-অস্বীকৃতি সমাধান দ্রুত করতে অনুরোধ করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

 

স্থানীয় মুসল্লা/কমিউনিটি লিডারদের মধ্যস্থতায় অস্থায়ী শান্তি ও জমির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি,না হলে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হবে।

ঘটনাস্থলে উত্তেজনা সমান আছে; শেষ কথা নয়,এখন প্রয়োজন স্বচ্ছ ও দ্রুত তদন্ত, দলিলের স্বতঃপ্রকাশ, এবং দুর্বৃত্ত/চক্রের বিরুদ্ধে কড়া হস্তক্ষেপ, যাতে দীর্ঘদিনের অধরমা জমি-সংঘাত নতুন করে রক্তক্ষয়ী না হয়।

জনপ্রিয়

রাতের অন্ধকারে দখলচক্রের থাবা! বায়না করা জমিতে হানা দিয়ে বালু ভরাট-থানায় তীব্র অভিযোগ!

রাতের অন্ধকারে দখলচক্রের থাবা! বায়না করা জমিতে হানা দিয়ে বালু ভরাট-থানায় তীব্র অভিযোগ!

প্রকাশের সময় : ২১ ঘন্টা আগে

নিজস্ব প্রতিবেদক।। কাশিপুর-বরিশাল নগরের কাশিপুর ইছাকাঠি এলাকায় দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে ঝুলে থাকা বায়না–দলিল বিরোধ এবার রঙ লেগে উত্তেজনায় রূপ নিল। যুবক হাউজিং অ্যান্ড রিয়েল এস্টেটের বায়না করা জমিগুলোতে দলিল না পাওয়ার সুযোগ নিয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তি রাতের অন্ধকারে ভেতরে ঢুকছে, বালু ভরাট করছে এবং নিজস্ব সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দখলের চেষ্টা করছে,এমন অভিযোগ নিয়ে এয়ারপোর্ট থানায় গর্জনের মতো লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন একাধিক ক্রেতা।

 

ঘটনাচক্র ও টানাপোড়েন!সময়রেখা

 

২০০৬ -আগৈলঝাড়া উপজেলার এসএম ফারুক যুবক হাউজিং থেকে ৫ শতাংশ জমির বায়না করেন; চুক্তি অনুযায়ী মোট ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন, বকেয়া মাত্র ২০ হাজার টাকা ছিল। প্রকল্পে সমস্যা হলে দলিল প্রদান বন্ধ হয়ে যায়-তখন থেকেই জমি ফারুকের দখলে ছিল।

 

২৭ নভেম্বর, রাত ১১:৩০ – অভিযোগ: ওই রাতের অন্ধকারে অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন নামের এক ব্যক্তি অপ্রত্যাশিতভাবে ফারুকের জমিতে এসে যন্ত্রসামগ্রী দিয়ে বালু ভরাট শুরু করেন এবং জমিতে নিজস্ব সাইনবোর্ড টাঙান।

ঘটনার পরপরই এসএম ফারুক এয়ারপোর্ট থানায় লিখিত অভিযোগ জানান-তিনি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা চান।

 

অভিযোগের কড়া ভাষ্য

 

এসএম ফারুক বলেন, “আমরা বায়না করে প্রায় সম্পূর্ণ টাকা দিয়েছি। দলিল না মেলায় জমিটা দখলে রেখেছি – রাতের বেলা আমাদের জমিতে এসে তারা বালু ভরাট করছে, সাইনবোর্ড টাঙাচ্ছে। এটা প্রকাশ্য দখলের চেষ্টা।”তার স্ত্রী রেহেনা খানম আরও বলেন, “জামায়াত নেতা পরিচয় দিয়ে ওই ব্যক্তি দাবি করছেন যুবক হাউজিংয়ের কাছে তারও টাকা আছে,তাই তিনি জমি দখল করবেন। এটা রীতিমতো চাপ,আমরা জমি ফিরে পেতে চাই।

 

পাশের প্লটের মালিক মজিবুর রহমান অভিযোগ করেন,“আমার নামে দলিল থাকলেও সিদ্দিকুর ও তার স্ত্রী নিজেদের নামে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে রেখেছে,কানো যুক্তিসঙ্গত সদুত্তর দেয়নি তারা। আমি আদালতি অধিকার প্রয়োগ করে আমার জমিতে নিজের সাইনবোর্ড টাঙাব।

 

তৃতীয় ক্রেতা হাসান বলছেন, “অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন নিজেকে জামায়াত নেতা বলে দাবি করে তিনি জমি তারকেই দেওয়ার অভিযোগ করছেন,কিন্তু তারা রাত্রে এসে অনৈতিকভাবে কাজ করছে।

 

অভিযুক্তের প্রতিক্রিয়া

 

অভিযুক্ত অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন দাবি করেছেন, অভিযোগ ভুল এবং বিভ্রান্তিকর। তিনি বলেন, “আমি যুবক হাউজিংয়ের একজন সদস্য; আমি নিজামতে বায়না করেছিলাম। আমি আমার জমিতেই বালু ভরাট করেছি,কেউকে আমি দখল করে দেইনি।” তাঁর বক্তব্য প্রকাশ্যে হলেও ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত জরুরি বলে মনে করছেন অনেকে।

 

আইনগত ও সামাজিক প্রেক্ষাপট

 

 

বিরোধপূর্ণ সম্পত্তির বর্ণনা: মৌজা,ইছাকাঠী, জেএল নং: ১৩, এসএ দাগ নং: ১০১৪, বিএস দাগ নং: ৩০৩৯, জমির পরিমাণ: ৫ শতাংশ। স্থানীয়দের উদ্বেগ-দলিল দেওয়ার দীর্ঘ বিলম্ব ও আধা-উন্মুক্ত অবস্থার সুযোগ নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে দখলের চক্রান্ত হতে পারে। স্থানীয়দের ভাষায়, “দলিল না থাকলে জায়গার উপর আরামে কাকুতি ওঠে,ব্যক্তিগত দাবিতে নয়, বড় চক্রই এখানে সক্রিয় হতে পারে।

 

 

আইনগত দিক থেকে,যে কোনও জমি দখলে রাখার ক্ষেত্রে দলিলই প্রধান প্রমাণ। বায়না চুক্তি থাকলেই সম্পত্তি নিশ্চিত নয়; চূড়ান্ত দলিল (পাট্টা/নামান্তর) না হলে উভয়পক্ষের বিবাদ আদালত–পুলিশ-নোটিশ পদ্ধতিতে সমাধান পায়। রাতের বেলা বালু ভরাট ও সাইনবোর্ড টাঙানো,এসব কার্যকলাপ সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে বাধা সৃষ্টি বা জবরদখলের লক্ষণ হতে পারে এবং সেজন্য তদন্ত দরকার।

 

পুলিশের বক্তব্য

 

 

 

এয়ারপোর্ট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজিত চন্দ্র নাথ বলেছেন,অভিযোগ পেলে সুষ্ঠু অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, তারা বর্তমান অবস্থায় স্থানীয় চিত্রের ছক কষছেন ও সংশ্লিষ্ট দলগুলোর পয়সার লেনদেন, দলিলপত্র এবং জমির প্রকৃত দখলার ভিত্তি যাচাই করবেন।

 

 

আশঙ্কা ও দাবি

 

 

স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন,দলিল না থাকায় জমিগুলো “অদৃষ্টে” পড়ে আছে; এমন জমিগুলোকে কেন্দ্র করে কিছু ব্যক্তি বা চক্র রাতের আঁধারে সহিংসতার মাধ্যমেও দখল নিয়ে যেতে পারে। অভিযোগকারীরা বলেন,সত্বর মাঠ পর্যায়ের ভলান্টিয়ার উপস্থিতি ও সরকারি হস্তক্ষেপ দরকার, নাহলে ছোট সংঘাত বড় ঘটনায় রূপ নিতে পারে।

 

এখন করণীয়

পুলিকেকে দ্রুত মাঠ তদন্ত, নথিপত্র যাচাই ও বাধা প্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।জেলা প্রশাসন ও ভূমি দফতরকে এই জমির মিটিং আয়োজন করে দলিল-অস্বীকৃতি সমাধান দ্রুত করতে অনুরোধ করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

 

স্থানীয় মুসল্লা/কমিউনিটি লিডারদের মধ্যস্থতায় অস্থায়ী শান্তি ও জমির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি,না হলে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হবে।

ঘটনাস্থলে উত্তেজনা সমান আছে; শেষ কথা নয়,এখন প্রয়োজন স্বচ্ছ ও দ্রুত তদন্ত, দলিলের স্বতঃপ্রকাশ, এবং দুর্বৃত্ত/চক্রের বিরুদ্ধে কড়া হস্তক্ষেপ, যাতে দীর্ঘদিনের অধরমা জমি-সংঘাত নতুন করে রক্তক্ষয়ী না হয়।